ঢাকা, May 20, 2019, 4:59 a.m.

১৪ মে,১৯৯৯ বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা দিন

সিনিয়র রিপোর্টার

প্রকাশিত: April 28, 2019, 3:11 p.m.

নিউজটি মোট 124612 বার পঠিত হয়েছে

বিশ্বকাপের ৭ম আসর বসেছে ইংল্যান্ডে। ৩১মে, ২৯তম ম্যাচে ইংল্যান্ডের নর্দাম্পটনে সৃষ্টি হয়েছিল এক ইতিহাসের। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ পরাজিত করে পাকিস্তানকে। আর সাথে সাথে সৃষ্টি হয় এক মহাকাব্যিক ইতিহাস। যা আমাদের জন্য গৌরবের থেকেও উর্ধ্বে । আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ।

ওপেনিং করেন শাহরিয়ার হোসেন এবং মেহরাব হোসেন। খুবই শান্ত শুরু করেন দুইজনই। দলীয় রান যখন ৬৯ এ পৌছায় তখনই ঘটে বিপত্তি। সাকলাইন মুশতাকের বলে স্ট্যাম্পিং আউট হন মেহরাব হোসেন ৯(৪২)। তারপর মাঠে আসেন আকরাম খান। কিন্তু এক রান হতে না হতেই ব্যাক্তিগত ৩৯ রানে আউট হন শাহরিয়ার হোসেন। তারপর মাঠে আসেন আমিনুল ইসলাম। সুন্দর এক পার্টনারশিপে দলীয় ১২০ রান পর্যন্ত নিতে সক্ষম হন এই দুই জন। কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত ব্যাক্তিগত ২৬ রান করে আউট হন আমিনুল ইসলাম।

তারপর আসে নাইমুর রহমান অপর পাশে সঙ্গ দেন আকরাম খানকে। কিন্তু ১৪৮ রানে ওয়াকার ইউনুসের বলে ক্যাচ আউট হন আকরাম খান ৪২(৬৬)। তারপর আসেন মিনহাজুল আবেদিন কিন্তু হতাশাজনক ভাবে ওই ১৪৮ রানেই আউট হন নাইমুর রহমান। এরপর খালেদ মাহমুদ আর মিনহাজুল আবেদিনের ছোট্ট পার্টনারশিপে দলীয় রান গিয়ে দাঁড়ায় ১৮৭ এবং তখনই আউট হন মিনহাজুল আবেদিন। খালেদ মাসুদ ক্রিজে এসে খালেদ মাহমুদের সাথে পার্টনারশিপ করার আগেই আউট হন খালেদ মাহমুদ দলীয় ১৯৫ রানে। শেষে মোহাম্মদ রফিক, নাইমুর রশিদ আর শফিউদ্দিন আহমেদ মিলে দলীয় স্কোর নেন ২২৩ রানে। পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট নেন সাকলাইন মুশতাক (১০-১-৩৫-৫)।

দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশীদের বোলিং তোপে ১৬১ রানে অল-আউট হয়ে যায় পাকিস্তানীরা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৯ রান করে নেন আজহার মাহমুদ ও ওয়াসিম আকরাম। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সাকলাইন মুশতাকের ২১(৫১)। বাংলাদেশিদের মাঝে সেরা বোলিং ফিগার হচ্ছে খালেদ মাহমুদের (১০-২-৩১-৩)। আর সফিউদ্দিন, মোহাম্মদ রফিক, মিনহাজুল আবেদিন আর নাইমুর রহমান প্রত্যকে ১ উইকেট করে নেন। মজার বিষয় এই ম্যাচের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৪০ রান এক্সট্রা দেয় পাকিস্তানি বোলাররা। এই ম্যাচে ম্যান অব দা ম্যাচ হয় খালেদ মাহমুদ।

আমার মতে দেশের সেরা বিজয়গুলোর মাঝে একটি হচ্ছে এটি। বিশ্বকাপের সেরা স্পেশাল মোমেন্টগুলো যদি ধরা হয় তাহলে আমার লিস্টে এটি থাকবে ১ নাম্বারে। কারন এটি বাংলাদেশের গর্বের এক বিজয়। এই বিজয় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের প্রতিটা ক্রিকেটপ্রেমী মানুষের হৃদয়ে।

ক্রেডিটঃমেহরাব এলাহী,ক্রিকেটখোর।

১৪ মে,১৯৯৯ বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা দিন

এইমাত্র বিসিবি থেকে বিশাল সুখবর পেল "ইমরুল কায়েস"

চমক দিয়ে দল ঘোষণার সমস্ত হিসাব পাল্টে দিল পাপন। সৌম্য, লিটন, সাব্বিরের ১ ম্যাচ ভালো তো ১০ ম্যাচ খারাপ...

ভোরে নয় বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ত্রিদেশীয় সিরিজ যখন শুরু হবে

বিশ্বকাপের ১০ দেশের আনলাকি স্কোয়াড দেখেনিন

‘যখন শুনেছি ১৫ জনের মধ্যে আছি তখন আরেকটু বেশিই অবাক হয়েছি’

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ইংল্যান্ড থেকে যে বিশাল দুঃসংবাদ পেল বাংলাদেশ

লিটন না সৌম্য? বিশ্বকাপে তামিমের সঙ্গী কে? জানালেন কোচ স্টিভ রোডস!

দুইটি চমক দিয়েই বিশ্বকাপের জন্য বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করলো বিসিবি !

চমক দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য উইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের দল ঘোষণা করলো বিসিবি !

নিজ মুখে জানিয়ে দিলেন বিশ্বকাপে যাদেরকে দলে চান তামিম ইকবাল